ঋগ্বেদে অশ্লীলতা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব - nkbarta

nkbarta

সেবা ও সার্ভিস এক সাথে

Breaking

রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০

ঋগ্বেদে অশ্লীলতা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব

 রিগবেদ অধ্যায়-৩, খন্ড-৩১, শ্লোক: ১-২ ‘‘পিতা

তার মেয়ের সাথে অশ্লীলকর্মে

লিপ্ত’’ এছাড়া মা- ছেলে দূষ্কর্ম,

এমন বিশ্রি বনর্না যেই গ্রন্থে তা কি

করে সৃষ্টিকর্তার বাণী হতে পারে? 



জবাবঃ আমি অপপ্রচারক ও সকল মুসলিম বন্ধুকে জানাতে চাই যে , সনাতন গ্রন্থে ,   রিগবেদ  নামে কোন বেদ নাই । এই কথা বলার অর্থ হলো মুসলিম বন্ধু যে , বানান গত ভুলের পরিচয় দিয়েছে , তাহাতে মনে হয় যে তারা সনাতন ধর্মের মূল গ্রন্থ থেকে রেফারেন্স টানে নি , রেফারেন্স টেনেছে জাকির নায়েকের মত অপপ্রচারক ইসলামিষ্টদের লেখা বই পড়ে । ভুল বানান - রিগবেদ । এর সঠিক বানান হলো ঋগ্বেদ/ ঋকবেদ । 

মুসলিম বন্ধুর ভুল বানানের ভুল বেদে রিগবেদ অধ্যায় ৩, খন্ড -৩১ , শ্লোক ১-২ থাকতে পারে , কিন্তু তা সনাতন শাস্ত্রের  ঋকবেদ নয় । আমরা সনাতনিরা জানি যে, ঋকবেদে অধ্যায় , খন্ড, শ্লোক এরকম কোন শব্দের ব্যবহার নেই । যা আছে ঋকবেদ, মন্ডল, সুক্ত, মন্ত্র । আমি মুসলিম বন্ধুর ভুল গুলো ধরিয়ে দিয়েছি । ভুল ভাল রেফারেন্স টেনে এরকম অপপ্রচার করা মুসলিমদের কাজ । সনাতন শাস্ত্র থেকে স্পষ্ট টানুন , তবেই তো জানতে পারবেন । অর্থাৎ  সঠিক রেফারেন্স টানতে যেহেতু মুসলিম বন্ধু ভুল করেছে , আর  এ থেকেই প্রমাণিত হয় - অপপ্রচারক মুসলিমদের আনিত সনাতন ধর্ম নিয়ে অশ্লীল দাবির অভিযোগ মিথ্যা । 




তবুও আমি বেদ থেকেই স্পষ্ট দেখাবো যে, মুসলিম বন্ধুর আনীত অভিযোগ মিথ্যা ।  এবং সেই সাথে তারা ইসলামকে ও প্রশ্নের সম্মুখিন করবে ।  মুসলমানদের অশ্লীল অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করে ইসলাম কে প্রশ্নবিদ্ধ করব , আশা করি মুসলিম বন্ধুরা যুক্ত যুক্ত ভাবে জবাব দিবে । 





শাসদ্বহির্দুর্হিতুর্নপ্তাং গাদ্ধিদ্ধাঁ ঋতস্য দীধিতিং সপর্য্যন।

পিতা যত্র দুহিতুঃ সেকমৃঞ্জন্ সং শগ্ম্যেন মনসা দধম্বে।।

(ঋগ্বেদ-- ৩/৩১/১)

.

★অনুবাদ- “ঐ আত্মহীন পিতা, যে পরিবারের ধারক(পোষক), নির্দেশ করে তার নাতি(পুত্র তুল্যা)যে তার কন্যা সন্তান এবং যজ্ঞ করার দক্ষতার উপর আস্থা রাখে, সম্মান করে  (তার জামাই কে)নানাবিধি উপহারের সঙ্গে, সেই পিতা বিশ্বাস করে কন্যার গর্ভধারণের উপর, নিজেকে সমর্থন করে শান্তিপূর্ণ ও খুশি মনে”


আর ও সহজ অনুবাদঃ পুত্রহীন পিতা সমর্থ জামাতাকে সম্মানিত করে শাস্ত্রানুশাসনক্রমে দুহিতা জাত পৌত্র প্রাপ্ত হন। অপুত্ত পিতা দুহিতা গর্ভ হতে বিশ্বাস করে প্রসন্ন মানে শরীর ধারণ করেন ।

.

★ভাবার্থ- “হে মানব! যেমন একটি কন্যা পিতা হতে জন্মলাভ করে, সুতরাং এই উষা(ভোর) জন্ম নেয় সূর্য হতে, যেমন স্বামী গর্ভধারণ করায় তার স্ত্রীর, সুতরাং এই সূর্য স্থাপন করে তার বীর্য(তেজঃ) ভোরের আলোকে রশ্মি আকারে। এই উষা হল সূর্যের কন্যা তুল্য,  যেখান থেকে জন্ম নেয়,  একটি পুত্র,  উষা লগ্নে সকালের আকারে”

.

★এটি ভোরের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য বর্ণনাকারী একটি বেদ মন্ত্র। ভোরে উদিত সূর্য রশ্মি হল এখানে “বীর্য” অর্থ্যাৎ “সূর্যের তেজ” ।এখানে সেই মুহূর্ত অর্থ্যাৎ উষালগ্ন যা অপূর্ব সুন্দর তাই নারী রূপে কল্পিত সূর্যকন্যা এবং সকাল যা আলোক তেজঃ রুপি ও পুত্র রূপে কল্পিত ঊষার পুত্র।

(অনুবাদ- পন্ডিত  সত্যকাম বিদ্যালঙ্কার)


এবার ঋকবেদ মন্ডল ৩ সুক্ত ৩১ মন্ত্র ২ দেখে নেওয়া যাক - 



অনুবাদঃ ঔরসপুত্র দুহিতাকে পৈতৃক ধন দেন না। তিনি তাকে ভর্তার প্রণয়ের আধার করেন।  পিতামাতা পুত্র  এবং  কন্যা উভয়েই উৎপাদন করেন তা হলেও  তাদের মধ্যে একজন উৎকৃষ্ঠ ক্রিয়া কর্ম করেন, এরফলে  অন্যজন ও  সম্মানিত হন ।




অনুবাদ ১/ ২ এর ব্যাখ্যা টিকাঃ দেওয়া আছে এই লিংকের সর্বশেষ প্রান্ত দেখুন অথবা নিচের বর্ননা দেখুন---


১। পূর্বকালে পুত্র না হলে কন্যার বিবাহ দিবার সময় জামাতার সাথে এরূপ বন্দোবস্ত করা হত যে, ঐ কন্যার পুত্র কন্যার পিতা রহবে এবং দৌহিত্র হয়েও পৌত্রের কার্য করবে।


২। মুলে বহ্নি শব্দ উভয় পুত্র ও কন্যা বুঝাচ্ছে। পুত্র থাকলে কন্যা সম্পত্তি পান না। পুত্র ক্রিয়ার অধিকারী, কন্যা সমমানিতা হন।


এর থেকেই প্রমানিত হয় , মুসলিমরা হলো অপপ্রচারক , আর এরকম অপপ্রচার করে ইসলামকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে চায় একমাত্র শয়তানরাই ।


কোথায় পিতার সাথে মেয়ের অশ্লীলকর্মের কথা বলা হয়েছে?? মুর্খ মুসলমানরা একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করি। আর  আল্লায় কইছে তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শষ্যক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর কোরান ২:২২৩। 


মানে মেয়েদের বিছানায় টেনে নিয়ে গিয়ে যে স্টাইলে খুশি চাষ করে বাচ্চা পয়দা করা ছি...!!আর মোহাম্মদ’কে যুদ্ধ বন্দি দাসী, যে কোন আত্নিয় স্বজনের মেয়ে থেকে শুরু করে  ৪০ বছরের বুড়ি খাদিজা সহ ৯ বছরের বাচ্চা মেয়েকে ভোগ করার আল্লাহ  ফ্রি লাইসেন্স দিয়েছে  (কোরান ৩৩:৫০) এটা  কি সুমধুর সৃষ্টিকর্তার বর্ননা ?


ইসলাম ধর্মে  এমন নিকৃষ্টতর বিধান যা পাশবিকতাকেও হার মানায় , তাহলে ইসলাম  ধর্মের মধ্য মা,বোন, মেয়ে,খালা , ফুফি, বুবু , ভাগিনি , ভাতিজি , পুত্রবধূ,  চাচি, মামি ইত্যাদি  এদের কি ভাবে সম্মান থাকবে? মুসলিম ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না। আমি শুধু জানার জন্যই প্রশ্ন করছি ।



দ্বিতীয় অপপ্রচারঃ

 

এবার  মুসলিম বন্ধুর দ্বিতীয়  অপপ্রচার দেখে নিব -



[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]

শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে মারা

যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয়

একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়

তার স্ত্রীর দুধ দিয়ে শিবের

গোপন অঙ্গ ধৌত করে? এটা কি

সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? এমন কুরুচিপূর্ন

আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে পারেন?



জবাবঃ আপনারা বলেছেন শিব ৬০,০০০ বিয়ে করেছিল এটা কোথায় পেলেন আপনাদের অবশ্যই প্রমান দিতে হবে। মেয়েদের স্তনের দুধ নিয়ে শিব লিঙ্গকে ধৌত করা হয় , এরকম রেফারেন্স সনাতন ধর্মের কোন শাস্ত্রে অথবা গ্রন্থে পেলন , শয়তান ধর্ম ইসলাম অনুসারি  মুমিন বান্দা গণ ।   স্পষ্ট রেফারেন্স নেই , শয়তান অপপ্রচার মুসলিমদের কাছে ।  । রেফারেন্স বিহীন ভিত্তিহীন  ভাবে অপপ্রচার একমাত্র ইসলাম অনুসারি শয়তান মুসলিমরাই  করতে পারে । যাই হোক , যেহেতু স্পষ্ট রেফারেন্স দেয় নি মুসলিম বন্ধু , আর এর থেকেই প্রমান হয় মুসলিমরা হলো অপপ্রচারক আর ইসলাম হলো শয়তানদের ধর্ম । 

 শিবলিঙ্গ→ শিবলিঙ্গ মানে যৌনাঙ্গ যে এই কথাটি লিখেছেন সে সংস্কৃত ভাষা সম্পর্কে কোন জ্ঞান রাখেন না। শিব সংস্কৃতে शिव, Siva যার বাংলা অর্থ শুভ বা মঙ্গল আর লিংঙ্গ অর্থ প্রতিক বা চিন্হ যার সম্পুর্ন অর্থ হচ্ছে সর্বমঙ্গলময় বিশ্ববিধাতার প্রতীক। আবার ব্যাকারনে যেটা পুরুষ বোঝায় তাকে পুঃলিংঙ্গ, যেটা দ্বারা নারী বোঝায় তাকে স্ত্রীলিংঙ্গ,যেটা দ্বারা নারী পুরুষ উভয়ই হতে পারে তাকে উভয় লিংঙ্গ ও যেটা দ্বারা জর বস্তু বোঝায় তাকে ক্লীবলিংঙ্গ বলে, কোন ভাবেই এটা যৌন অঙ্গ’কে বোঝায় না, উধারনস্বরুপ চেয়ার দেখলে বুঝি এটা একটা জর বস্তু তাই এটিকে ক্লীবলিংঙ্গ বলা হয়, তেমনি ভাবে যে কালোপাথরটি (শিবলিংঙ্গ) দ্বারা আমরা শিবকে বুঝি, তাই ওটাকে আমরা শিবলিংঙ্গ বলি, ওটা শিবের প্রতিক, বাংলাদেশের প্রতিকি যেমন বাংলাদেশের পতাকা বহন করে, তেমনি শিবলিংঙ্গ শিবের প্রতিকি বহন করে,পতাকাকে স্যালুট করলে যেমন দেশকে সন্মান করা হয় তেমনি শিব লিংঙ্গের পুজা করলে শিবের পুজা করা হয়।



তৃতীয় অপপ্রচারঃ 

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]


শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে

চিনতে পারেনি গর্দান কেটে

ফেলেছিলেন তাহলে তিনি তার

সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে

যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? 


জবাবঃ এই প্রশ্নটা শুনে একটু রাগ হয়েছিল, কেননা একজন পিতা তার সন্তানকে চিনবেনা এটা কোন ধরনের কথা, এইসব জ্ঞানপাপীরা কি সনাতন ধর্মের শাস্ত্র পড়ে পন্ডিতগিরী করে নাকি কপি মেরে মেরে পন্ডিতগিরী করে সেটা কেবল ভগবানই জানেন।

.

★তাদের প্রশ্নের উত্তরটা দিবো কেবল একটা টপিকে, "শিব কি গণেশকে চিনতো নাকি চিনতোনা???

কে কার মস্তক চিন্ন করলো এই প্রসঙ্গে যাবোনা। কেবল প্রমাণ করবো শিব গণেশ কে জন্মের পর থেকে চিনতো যে গণেশ তাঁর পুত্র।

.

★লিঙ্গপুরাণ , পূূর্ব্বভাগ, ১১৫তম অধ্যায়ের ১১-১৪ তম শ্লোকে উল্লেখ আছে---

"সর্বেশ্বর ভগবান ভবপুত্রকে জাতমাত্র অবলোকন করিয়া তদুদ্দেশে কর্তব্য জাত-কর্ম্মানি সংস্কার স্বয়ং করিলেন। তারপর জগদীশ্বর সুকোমল হস্তদ্বারা তনয়কে গ্রহণ করিয়া আলিঙ্গন করত মস্তকে চুম্বন করিলেন"

.

এই থেকে প্রমাণ হয়, গণেশের জন্মের পরই শ্রীশিব তাকে চিনতেন, আহারে জ্ঞানপাপীরা এখানেও তোমাদের ভওতাবাজির ইতি ঘটলো??



চতুর্থ অপপ্রচারঃ 

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]

দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতা

চরিত্রের সাথে ভগবান ও  ব্রাহ্মণ গন কি

করে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? যদি তারা

প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন


জবাবঃ এই কথাটার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ চাই। গীতা,বেদ,ভাগবত বা উপনিষদ কোথা থেকে পেয়েছেন?  এছাড়াও আমি  এই প্রশ্নটা ততোটা গুরুত্ব বলে মনে করি না, যোগিনী পতিতাবৃত্তি করেছিল এরকম কোন বিখ্যাত নারী সনাতন ধর্মে কিন্তু  ছিল না। যদি জ্ঞানপাপীরা কারো নাম নির্দিষ্ট করে বলতো তবে অবশ্যই সেটা বিশ্লেষণ করতাম।

কিন্তু তারা অন্ধকারে ঢিল মারলো।

তারপর আবার বললো ভগবান ও ব্রাহ্মণগণ কোন অশ্লীল কর্মে লিপ্ত হলো।

কিন্তু বললোনা কে করলো?

কোন ব্রাহ্মণ সেটাই তো জানলাম না, যদিওবা কোন ব্রাহ্মন করে থাকে তবে সেটা সনাতন ধর্মের কি দোষ???

ব্রাহ্মন এর কথায় কি সনাতন ধর্ম চলে???

সনাতন ধর্মতো ঈশ্বর প্রেরিত পবিত্র বেদ এবং শ্রীগীতার আলোকে চলে।

মানুষের মধ্যে যদিও কেউ খারাপ কাজ করে তবে ধর্মের দোষ দিয়ে লাভ নেই। কারণ সনাতন ধর্ম সর্বদাই মানুষকে সঠিক পথে চলতে বলে।

.



পঞ্চম অপপ্রচারঃ 

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]

কিভাবে রাম

সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারন সে

প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম

গেছে, বিয়ে করেছে

দৈহিকতারনায়, রাম নিজের স্ত্রীকে

সন্দেহ করেছে এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম?


জবাবঃ শ্রী রাম হচ্ছে ঈশ্বরের ৭ম অবতার। তিনি মানুষ রুপে পৃথিবীতে জন্মগ্রহন করেছিলেন। সুতরাং মানুষের মত কাজকর্ম রাম করেছিলেন কারন তিনি মানুষ কিন্তু ঈশ্বরের অবতার। শ্রীমদভগবত গীতার ৯:১১ তে ভগবান বলেছেনঃ আমি যখন মানুষ রুপে অবতীর্ন হই,মুর্খেরা আমাকে অবজ্ঞা করে তারা আমার পরম ভাব সম্বন্ধে অবগত হন না, এবং তারা আমাকে সর্বভূতের মহেশ্বর বলে জানে না।। অর্থাৎ ভগবান মানুষরুপে পৃথিবীতে অবতীর্ন হতে পারেন।

শ্রীরাম মানুষরুপে অবতীর্ণ হয়েছেন তাই মানুষের মতো বেচে ছিলেন এই ধরাধামে, এতে অবাক হওয়ার কোন কারণ নেই জ্ঞানপাপীগণ।

.

★শ্রীরাম কি মাতা সীতাকে সন্দেহ করেছিল??

.

★জ্ঞানপাপীরা তোমরা নিজেরাই দেখো --- বাল্মীকি রামায়ন কি বলে---

.

★पश्यतस्तां तु रामस्य समीपे हृदयप्रियाम् |

★जनवादभयाद्राज्ञो बभूव हृदयं द्विधा||६-११५-११

Valmiki Ramayana 6.115.11 পড়লে বুঝতে পারা যাচ্ছে "শ্রী রাম লক্ষ্য করলেন সীতা দেবী কে নিয়ে কিছু লোক কুত্সা রটিয়ে বেড়াচ্ছে এর জন্য সীতা দেবী মন দুঃখী"।

.

★पृथक्स्त्रीणां प्रचारेण जातिं त्वं परिशङ्कसे |

★परित्यजेमां शङ्कां तु यदि तेऽहं परीक्षिता

||(६-११६-७)

Valmiki Ramayana 6.116.7 পড়লে বুঝতে পারা যাচ্ছে "শ্রী রাম সীতা দেবী কে বুজাচ্ছেন এক অভদ্র মহিলার আচরণ দ্বারা আপনি দুঃখী হয়েন না"

.

★त्वया तु नरशार्दूल क्रोधमेवानुवर्तता |

★लघुनेव मनुष्येण स्त्रीत्वमेव पुरस्कृतम् ||

६-११६-१४

Valmiki Ramayana 6.116.14 পড়লে বুঝতে পারা যাচ্ছে "সীতা দেবী শ্রী রাম কে বুজাচ্ছেন তিনি দুর্বল ও আবেগে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ও

womanliness অগ্রাধিকার দিয়েছেন"

.

★चितां मे कुरु सौमित्रे व्यसनस्यास्य भेषजम् |

★मिथ्यापवादोपहता नाहं जीवितुमुत्सहे ||

६-११६-१८.

Valmiki Ramayana 6.116.18 পড়লে বুঝতে পারা যাচ্ছে "সীতা দেবী মিথ্যা দোষারোপ থেকে মুক্ত হবার জন্য লক্ষ্মণ কে আদেশ দিচ্ছে আগুনের চিতা তৈরী করার জন্য"

.

জ্ঞানপাপীরা এবার বুঝলে তো তোমাদের জ্ঞানের পরিধি কতোটুকু???

শ্রীরাম মাতা সীতাকে সন্দেহ করেনি।



ষষ্ঠ অপপ্রচারঃ 

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]


রাম হনুমানের দুই ভাইকে কেন অকারনে

খুন করলেন যেখানে রামের সাথে

তাদের কোন শত্রুতা ছিল না?

সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব?


জবাবঃ রাম হনুমানের ভাইকে হত্যা করেননি। হত্যা করেছেন সুগ্রীবের ভাই বালিকে।কারণ বালি সুগ্রীবের স্ত্রীকে বন্ধি রেখেছিলো, এবং সুগ্রীবকে ধন সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছিল বালি। আর বালি ছিলো একজন দুরাচারী শাসক। অধার্মিকদের দন্ড প্রধানের জন্য এবং সাধুদের রক্ষার জন্য ঈশ্বর অবতার রুপে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন। আর অপরদিকে , নবী কিন্তু নারীদের বন্দী করে ভোগ করেছেন । এতে নবীর মহানতা নয় , কামুকতা  এবং পাশবিকতার পরিচয় পাওয়া যায় ।



সপ্তম অপপ্রচার 

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]

রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে

লংকায় পৌছাতে পারে তবে রাম

সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো

তাও আবার হনুমানের সাহায্যে?

শয়তানের শক্তি সৃষ্টিকর্তা হতে কি

করে বেশি হওয়া সম্ভব? 

জবাবঃ শ্রীরাম সমুদ্র পার হয়েছেন সমগ্র বানর সেনা নিয়ে। বানর সেনারা শ্রীরামকে সহায়তা করতে চেয়েছিল, আর ভগবান সর্বদা ভক্তদের অভিলাষ পূরণ করেন সেটা আর নতুন কিসের???

আর সমুদ্র পার হতে ১২ বছর লাগেনি। শ্রীরাম ১৪ বছরের জন্য বনবাসে গিয়েছিল----

★ বাল্মীকি রামায়ণ-- অযোধ্যা কান্ড, ১১তম সর্গের ২৬ তম শ্লোকে কৈকয়ী দশরথকে বলেছেন " "Rama has to take refuge in the forest of Dandaka for fourteen years and let him become an ascetic wearing rags, deer skin and matted hair"

এখানে স্পষ্ট ক্লিয়ার শ্রীরামকে চৌদ্দ বছরের জন্য বনে পাঠানোর জন্য বলতেছে"।

এবং অযোধ্যা কান্ডের,১৯ তম সর্গের, ২নং শ্লোকে শ্রীরাম বলতেছেন---

★ एवम् अस्तु गमिष्यामि वनम् वस्तुम् अहम् तु अतः |

★जटा चीर धरः राज्ञः प्रतिज्ञाम् अनुपालयन् || २-१९-२

.

★Translation --- "Let it be, as you said it. I shall fulfil the king's promise, go to the forest from here to reside there, wearing braided hair and covered with a hide."

.

অর্থাৎ শ্রীরাম বনে যাওয়ার ব্যপারে না বলেননি।

.

এখানে স্পষ্ট ক্লিয়ার রাম চৌদ্দ বছরের জন্য বনে গিয়েছিল, সমুদ্র পার হতে ১৪ বছর লেগেছিল সেটা মিথ্যা কথা।

 

এবার ‍অপপ্রচারক মুসলিম বন্ধুদের প্রশ্ন করি একটি - 

★ প্রশ্নঃ  আল্লাহর বিশ্ব সৃষ্টি করতে ৬ দিন লাগে,, তাহলে মোহাম্মদের ওপর কোরান নাজিল করতে কেন ২৩ বছর সময় লাগলো? 

.



অষ্টম অপপ্রচারঃ 

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]

গরু হিন্দুদের মা,গরুর পেট থেকে তো গরুর

বাচ্চা হয় মানুষের বাচ্চা তো হয় না

তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়?  

জবাবঃ আমরা গরু খাইনা, গোহত্যা করিনা, গরুকে সন্মান করি, স্রদ্ধা করি। অনেক সময় আপনি দেখবেন আপনার গুরুজনেরা ছোটদেরকে আদর করে মা অথবা বাবা বলে ডেকে থাকেন , তাই বলে কি সে তার মা,বাবা হয়ে যাবে ? তাছারা বিয়ের পর শাশুরী কেও মা বলে ডাকেন অথচ তার পেট থেকে আপনার জন্ম হয়নি । পেট থেকে জন্ম না নিলেও যে মা ডাকা যায় এটা কি আপনারা যানেন না? নবজাতক সন্তান মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি গরুর দুধ খেয়ে বেঁচে থাকেন,তাছারা গরু আমাদের অনেক উপকারে আসে সেজন্য  আমরা অনেক সময় গরুকে গোমাতা বলে থাকি । সেটা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য । কারন আমাদের ধর্ম উপকারীর উপকার করতে শেখায়, অপকার করতে শেখায় না ।গরু হিন্দুদের মা নয়। কিন্তু আমরা গরুকে মায়ের চোখে দেখি। আর গরু হিন্দুদের মা এটা কোন গ্রন্থে বলা আছে? প্রমাণ দিন।"" 



নবম অপপ্রচারঃ


[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]

গরু তাদের মা, তাই তারা দুধ খায়,

গোশত খায়না। অথচ ঐ মায়ের চামড়া

দিয়ে জুতা বানিয়ে তা পায়ে দেয়।

কেনো মায়ের এই অমর্যাদা? 


জবাবঃ  মুসলমানরাও তো শুকয় খায় না, অথচ চর্বি থেকে তৈরি লাক্স সাবান ব্যাবহার করে, তাহলে কি শুকর মুসলমানদের বাপ?। হিন্দু ধর্মে গরু হত্যা নিষেধ, খাওয়া নিষেধ কিন্তু মারা যাওয়ার পরে চামরা দিয়ে কিছু বানানো নিষেধ না। কারন মারা যাবার পর গরুর আত্মা শরীরে না থাকায় গরু বিন্দু মাত্র কষ্ট পায় না। অাশা করি বুঝতে পেরেছেন ।


দশম অপপ্রচারঃ

[ অপপ্রচার টুকু ভয়েস করার দরকার নেই । ভিডিও থেকে কেটে নিব অপপ্রচার টুকু ।]


গরুর চামড়ার ঢোল না পিটালে তাদের

পূজা হয়না, গরুকে হত্মা করে তার

চামড়া দিয়ে ঢোল বানাতে হয়।

কেনো মায়ের এই পরিনতি?


জবাবঃ গরুর চামড়া ছাড়া মহিষের চামড়ায় ও তো ঢোল হয়, তাছারা উট দুম্বার ঢোল দিয়েও পুজা করা যায়। হিন্দু ধর্মে গরুর চামরার ঢোল ছারা পুজা হয় না, এরকম কোন কথা কোথাও বলা নেই ।  আর দূর্গা পূজায় ঢোল নয়  ঢাক বাজানো হয় ।


এবার মুসলমানদের নিকট জানতে চাওয়ার জন্য আমার প্রশ্ন


 

প্রশ্ন : ১/  গনিমতের মাল কি? 

 

প্রশ্ন :।২/  ৭২ হূর এর কি,,, এটা কেন শুধু পুরুষরাই পাবে? ( সুনানে ইবনে মাজহা // হাদিস নং ৪৩৩৭) 

(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৪২৪২)

 

 প্রশ্ন :৩/ উটের মুত খাওয়ার উপকারিতা কি? 

প্রশ্ন:৪ / কাবা শরিফে,, কালো পাথরকে কিস করার উপকারিতা কি এটা কিস করলে নাকি সকল পাপ নাশ হয়,,? 

প্রশ্ন :৫/ শয়তানের ঘরে পাথর মারার উপকারিতা কি? 

প্রশ্ন :৬/ আল্লাহর পৃথিবী সৃষ্টি করতে ৬ দিল লাগে আর কোরান নাজিল করতে ২৩ বছর লাগে,, এটা কি হাস্যকর নয়? 

প্রশ্ন:৭/ নিজের পুএ বধূকে বিবাহের বৈধতা কতটুকু?( সা:)

প্রশ্ন :৮/ ২৫ বছর বয়সে মোহাম্মদ তার মার বয়সি ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করে ,, এর ব্যাখ্যা কি?

প্রশ্ন:৯/ ৬ বছরে আয়শাকে বিবাহ করে তাকে ধর্ষন এর,, মনবতা কি? 

প্রশ্ন:১০/ নারীর সন্মান কি? (কোরান ২/২২৩ এ বলা আছে নারী শষ্যখেত) 

প্রশ্ন:১১/ হিল্লা বিয়ে কি এর উপকারিতা কি? 

প্রশ্ন:১২ / ইসলামে,, পুরুষ এবং মহিলাদের অধিকার কেন সমান নয়? মহিলারা কেন মসজিদে নামাজ পড়তে পাড়বেনা,, একেমন ধর্ম,,যেখানে নারী পুরুষকে আলাদা ভাবা হয়?

প্রশ্ন:১৩/ আল্লাহ কেন আপনাদের জন্ম থেকে মুসলিম বানায়না তার কি এই ক্ষমতা নেই? তাহলে কেন আগা কাটা লাগে (খাৎতা)?

//

/

ক্ষমতা থাকলে আমার এই ১৩টা প্রশ্নের উওর দিন,,,, তার পর আরো প্রশ্ন করবো।


সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্যঃ

অপপ্রচারক মুসলিমরা ঈশ্বর বা ভগবানের কয়েকটি চরিত্র উত্থাপণ করে বলেছে  , আর প্রশ্ন বোধক চিহ্ন আরোপ করেছেন , আর বলেছে এসব কি ‍সৃষ্টিকর্তা অথবা ভগবান অথবা ঈশ্বরের বৈশিষ্ট্য হয় ? তদ্রুপ আমরাও মুসলমানদের চ্যালেঞ্জ করছি , স্বয়ং কুরআনিক আল্লাহর সৃষ্টিকর্তার হওয়ার কোন যোগ্যতাই নাই । 


চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন [১]  মুসলমানরা বলে থাকে কুরআনিক আল্লাহ নিরাকার । তাই মুসলিমরা কোন প্রতিকের ব্যবহার করে না উপাসনায় । এখন প্রশ্ন হলো যে কুুরআনিক আল্লাহর নিরাকার থেকে সাকার হওয়ার ক্ষমতা নেই , সে আল্লাহ কি ভাবে সর্বশক্তিমান হয় এবং এরকম একজন ক্ষমতাহীন আল্লাহ সৃষ্টিকর্তা হয় কিভাবে ?


চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন [২]  মুসলিমরা বলে থাকে নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ নুরের তৈরী । তাই তার কোন ফটোগ্রাফ নেই । এখন প্রশ্ন হলো , যে নবীর ফটো নেই - তার তো কোন কার্টুন না থাকার কথা , তাহলে কার্টুন অঙ্কন করার পর - সেই কার্টুন কে নবী লিখলে - মুসলিমদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে কেন ?  আর নূরের তৈরী নবী হযরত মুহাম্মদের পাগড়ি , জুতা , জামা ইত্যাদির কি দরকার ? কারণ নবী তো নূর হওয়ার কারণে তার দেহ লোক দেখতেই পারত না তাই নয় কি ?


চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন [৩] কুরআনে বলা আছে - পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই । এখন কথা হলো বাকি দিক গুলোর মালিক কি অন্য ধর্মের সৃষ্টিকর্তা নাকি ? এরকম ক্ষমতাহীন আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে ?


চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন [৪] আল্লাহর পৃথিবী সৃষ্টি করতে ৬ দিল লাগে আর কোরান নাজিল করতে ২৩ বছর লাগে,,   এ রকম ক্ষমতাহীন আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে ?


চ্যালেঞ্জিং প্রশ্নঃ[৫]  যে আল্লাহ নিরাকার সে আবার আরশে কিভাবে বসে থাকে আর পৃথিবীতে থাকার জন্য  আল্লাহর এত ঘরের  প্রয়োজন  কেন ? 


 চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন [৬]   মসজিদ কে আল্লাহর ঘর বলা হয় , সে ঘরে কি কেউ আল্লাহ কে দেখেছে ? আর কথা হলো আল্লাহ সে ঘরে কোথায় ঘুমায় , কোথায় খায় আর কোথায় পায়খানা করে মুসলিম বন্ধু গণ ? 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad